হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ যখন অন্তিম শয্যায় শায়িত ছিলেন, তখন আমিরুল মুমিনীন হযরত ওসমান রা. তাঁকে দেখতে যান। তাঁদের মধ্যে যে শিক্ষাপ্রদ কথোপকথন হয় তা নিম্নরূপ:
হযরত ওসমান : আপনার রোগটা কী?
হযরত ইবনে মাসউদ : আমার পাপসমূহই আমার রোগ।
হযরত ওসমান : আপনার কামনা কী?
হযরত ইবনে মাসউদ : আমার রবের রহম
বর্ণিত আছে, একদা কোন এক লোক আমিরুল মুমিনীন হযরত ওমর রা.-এর কাছে স্বীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে এসে দরজায় দাঁড়িয়ে থাকলেন ওমর রা. এর অপেক্ষায়। হঠাৎ ভিতর থেকে ওমর রা. এর স্ত্রীর কণ্ঠ শুনতে পেলেন যে, তিনি ওমর রা. কে এটা সেটা বলছেন। ওদিকে ওমর রা. কোন জবাব না দিয়ে চুপ করে বসে আছেন। এটা দেখে লোকটি চল
মালকী রহ. বর্ণনা করেন, মুহাম্মাদ ইবনে মাহনুন রহ.-এর একটি দাসী ছিলো। নাম উম্মে মুদাম। একদা তিনি উম্মে মুদামের ঘরে অবস্থান করছিলেন। খাবার সামনে আসলো। তিনি কিতাব লেখার কাজে এতই মগ্ন ছিলেন যে, সে দিকে তাকাবারই সময় ছিল না। দাসী তাঁকে খেতে অনুরোধ করলে তিনি উত্তর দিলেন, আমি এখন খুবই ব্যস্ত। দাসী যখন দেখলেন
হযরত শুয়াইব রহ. বর্ণনা করেন, একদা বাদশা হারুনুর রশিদ ‘রাক্কাহ’ শহরে আগমন করলেন। কিন্তু লোকজনের এতে তেমন কোন আকর্ষণ নেই। তারা দলে দলে ছুটে চলছে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনুল মোবারক রহ.-এর পিছে। লোকে লোকারণ্য। রাস্তায় ধুলি উড়ছে। হৈ চৈ নেই, শুধু চলার আওয়াজ।
হারুনুর রশ
সংগ্রহ ও অনুবাদ : মাওলানা মাসউদুর রহমান
হযরত উম্মে সুলাইম রা. ছিলেন মালেকের স্ত্রী। জাহেলী যুগে তার ঘরেই হযরত আনাস রা. জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণকারীদের একজন। ইসলাম গ্রহণের কারণে স্বামী মালেক ক্ষুব্ধ হয়ে শামে চলে যান এবং সেখানে মৃত্যুবরণ করেন।
অতঃপর আবু তালহা তাঁকে বিবাহের প্রস্
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ যখন অন্তিম শয্যায় শায়িত ছিলেন, তখন আমিরুল মুমিনীন হযরত ওসমান রা. তাঁকে দেখতে যান। তাঁদের মধ্যে যে শিক্ষাপ্রদ কথোপকথন হয় তা নিম্নরূপ:
হযরত ওসমান : আপনার রোগটা কী?
হযরত ইবনে মাসউদ : আমার পাপসমূহই আমার রোগ।
হযরত ওসমান : আপনার কামনা কী?
হযরত ইবনে মাসউদ : আমার রবের রহম
অপরুপ ফুলদানি
বর্ণিত আছে, একদা কোন এক লোক আমিরুল মুমিনীন হযরত ওমর রা.-এর কাছে স্বীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে এসে দরজায় দাঁড়িয়ে থাকলেন ওমর রা. এর অপেক্ষায়। হঠাৎ ভিতর থেকে ওমর রা. এর স্ত্রীর কণ্ঠ শুনতে পেলেন যে, তিনি ওমর রা. কে এটা সেটা বলছেন। ওদিকে ওমর রা. কোন জবাব না দিয়ে চুপ করে বসে আছেন। এটা দেখে লোকটি চল
অপরুপ ফুলদানি
মালকী রহ. বর্ণনা করেন, মুহাম্মাদ ইবনে মাহনুন রহ.-এর একটি দাসী ছিলো। নাম উম্মে মুদাম। একদা তিনি উম্মে মুদামের ঘরে অবস্থান করছিলেন। খাবার সামনে আসলো। তিনি কিতাব লেখার কাজে এতই মগ্ন ছিলেন যে, সে দিকে তাকাবারই সময় ছিল না। দাসী তাঁকে খেতে অনুরোধ করলে তিনি উত্তর দিলেন, আমি এখন খুবই ব্যস্ত। দাসী যখন দেখলেন
অপরুপ ফুলদানি
সংগ্রহ ও অনুবাদ : মাওলানা মাসউদুর রহমান
হযরত শুয়াইব রহ. বর্ণনা করেন, একদা বাদশা হারুনুর রশিদ ‘রাক্কাহ’ শহরে আগমন করলেন। কিন্তু লোকজনের এতে তেমন কোন আকর্ষণ নেই। তারা দলে দলে ছুটে চলছে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনুল মোবারক রহ.-এর পিছে। লোকে লোকারণ্য। রাস্তায় ধুলি উড়ছে। হৈ চৈ নেই, শুধু চলার আওয়াজ।
হারুনুর রশ
অপরুপ ফুলদানি
সংগ্রহ ও অনুবাদ : মাওলানা মাসউদুর রহমান
হযরত উম্মে সুলাইম রা. ছিলেন মালেকের স্ত্রী। জাহেলী যুগে তার ঘরেই হযরত আনাস রা. জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণকারীদের একজন। ইসলাম গ্রহণের কারণে স্বামী মালেক ক্ষুব্ধ হয়ে শামে চলে যান এবং সেখানে মৃত্যুবরণ করেন।
অতঃপর আবু তালহা তাঁকে বিবাহের প্রস্
অপরুপ ফুলদানি